বিশ্ব হাইপারটেনশন দিবস

বাংলাদেশ হার্ট রিসার্চ এসোসিয়েশন এর উদ্যোগে বিশ্ব হাইপারটেনশন দিবস (১৭ইমে২০১৮) উপলক্ষে রাজধানীর সেগুন বাগিচাস্থ বাগিচা রেষ্টুরেন্ট 2 জুন শনিবার ২০১৮ তারিখ বেলা ৪.০০টায় এক বৈজ্ঞানিক সেমিনার ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

দেশের প্রখ্যাত কার্ডিয়াক সার্জন অধ্যাপক ডা.এস.আর.খান এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন-ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখমুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের চীফ কার্ডিয়াক সার্জন অধ্যাপক ডা. অসিত বরন অধিকারী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসী বিভাগের সাবেক ডীন অধ্যাপক আ ব ম ফারুক, প্রফেসর ডা. কে এম এইচ এস সিরাজুল হক, প্রফেসর ডা. গোলাম ফারুক, প্রফেসর ডা. এস এম মুসতানজীদ, সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের গাইনী বিভাগের অধ্যাপক ড. ফাতেমা আশরাফ, প্রফেসর ডা. কাজী আবুল হাসান, সিএমএইচ এর চীফ চাইল্ড কার্ডিয়াক সার্জন বিগ্রেডিয়ার জেনারেল নুরুন্নাহার ফাতেমা, প্রফেসর অফ কার্ডিওলজী বারডেম মেডিকেল কলেজের ডা. জি এম ফারুক, এসোসিয়েট প্রফেসর এন্ড কনসালটেন্ট বারডেম কার্ডিয়াক হাসপাতালের ডা. মোঃ রুকুনুজ্জামান সহ দেশের বিশিষ্ট কার্ডিয়াক বিশেষজ্ঞ ও সার্জনগণ।

বাংলাদেশ হার্ট রিসার্চ এসোসিয়েশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান লাল্টুর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফীন সিদ্দিক বলেন উচ্চরক্তচাপ জনিত কারনে মানুষ প্রতিদিনই জটিল ও কঠিন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।

জনসচেনতার অভাবে রোগ সম্পর্কে সাধারণ মানুষের অজ্ঞানতা ও ব্যাপক দারিদ্রতার কারণে পৃথিবীর উন্নয়নশীল দেশসমূহে এই রোগের প্রকোপ ও ব্যাপকতা অনেক গুণ বেশী।সুতরাং স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা, পুষ্টিকর খাদ্যগ্রহণ, খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন, দুশ্চিন্তামুক্ত থাকা, শারিরীক পরিশ্রম করা এবং নিয়মিত ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চললে এই রোগের হাত থেকে প্রতিকার পাওয়া সম্ভব।

আজ প্রতিবছর হাইপারটেনশন রোগে এক কোটিরও বেশী মানুষ পৃথিবীতে অকালে মৃত্যুবরণ করছে।সভাপতির বক্তব্যে ডা.এস আর খান বলেন ১৬কোটি মানুষের স্বাস্থ্য সেবা সুনিশ্চিত করা সরকারের পক্ষে কঠিন চ্যালেঞ্জ।জনগণের অন্যতম মৌলিক অধিকার হলো স্বাস্থ্য সেবা লাভ করার সুযোগ।

বর্তমান সরকার আধুনিক যুগোপযোগী ও কল্যাণমুখী স্বাস্থ্যনীতি প্রণয়ন ও তা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে।এর সুফল ইতোমধ্যে আমাদের দেশের জনগণ ভোগ করছে।এখন বাংলাদেশে আর্ন্তজাতিক মানের হাসপাতাল তৈরী হচ্ছে বিশেষজ্ঞ ডাক্তার তৈরী হচ্ছে এবং বাংলাদেশের তৈরী ঔষধ বিদেশে ব্যাপক বাজার দখল করেছে।সুতরাং স্বাস্থ্যখাতে সরকারের সাফল্য অনেক।

এরপরেও আমরা পুরোপুরিভাবে গরীব-দুঃখী অসহায় মানুষকে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে পারিনি।তাই সরকারের পাশাপাশি সমাজের ধনীক শ্রেণীর ও সমাজসেবী প্রতিষ্ঠানসমূহকে এই মহতী সেবায় আত্মনিয়োগ করতে হবে।তিনি বিশ্ব হাইপারটেনশন দিবসের সফলতা কামনা করেন এবং বিশ্বব্যাপী জনসচেনতা গড়ে তোলার আহŸন জানান।