বগুড়া গাবতলীর বিভিন্নস্থানে আবাধে বালু উত্তোলন

ফয়সাল আহম্মেদ : বগুড়ার গাবতলী উপজেলার বালিয়াদীঘি ইউনিয়নের পশ্চিম দড়িপাড়া গ্রামের আব্দুস ছাত্তার (৬০) নামের এক কৃষকের অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ফলে সৃষ্ট গর্তে পড়ে মৃত্যু হয়েছে এবং তার লাশ তরিঘড়ি করে দাফন করা হয়েছে বলে এলাকাবাসী জানায় ।

জানাযায়,উপজেলার পশ্চিম দড়িপাড়া গ্রামের মৃত রিয়াজ উদ্দীনের ছেলে আব্দুস সাত্তার মাঠে গরুকে ঘাষ খাওয়ানোর জন্য দড়িপাড়া নামক স্থানে নিয়ে যায়। একপর্যায়ে সাত্তার নামের ঐ কৃষক নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ফসলী জমির সৃষ্ট গর্তে পড়ে যায়।

পরদিন তার মৃতদেহ সেখানে ভেষে ওঠে। এলাকার বালু দস্যুদের তৎপরতায় তরিঘড়ি করে লাশ দাফন করে ফেলেবলে এলাকার একাধিক ব্যাক্তি বিষয়টি জানিয়েছেন। এব্যপারে আব্দুস সাত্তারের পরিবার ও এলাকাবাসীর সাথে কথা বললে তারা মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

অপরদিকে দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের নাকের ডগায় এলাকার বালু দস্যু নামে পরিচিত আব্দুল লতিফ মেম্বার, আলেফ উদ্দীন ও বুদাসহ এলাকার কতিপয় ব্যাক্তি আবাধে বালু দড়িপাড়া নামক স্থানে নদী থেকে বালু উত্তোলন করে আবাদী জমি নদী গর্ভে বিলিন করে ফেলেছে। বালু আনা-নেয়ার কারনে ট্রাকের অবাধ চলাচলের কারনে কাঁচা-পাকা রাস্তাসহ ফসলি জমির ব্যপক ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে।

এলাকাবাসী অবৈধ বালু উত্তোলন বন্দের জন্য প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়ে বালু দস্যুদের দৌরাত্ব বন্ধ করতে পারেনি। দড়িপাড়া ছাড়াও সোনামুয়া, ডঙর, সুখান পুকুর, কাঁকড়ার বিলসহ একাধিক স্থানে অধৈভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। বালু দস্যুরা পুলিশের সাথে সখ্যতা গড়েতুলে এধরনের অবৈধ বালু উত্তোলন করছেন বলে একটি সুত্র থেকে জানা গেছে।

এব্যপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনিরুজ্জামানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, গাবতলীতে কোন বালু মহাল নেই, অবৈধভাবে যারাই বালু তুলুক না কেন, তাদের বিরুদ্ধে অতিদ্রুত আইনত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।